রাজধানী

১৮ কোটি মূল্যের জাল স্ট্যাম্প, ডাকটিকিট, কোর্ট ফি জব্দ

প্রকাশ: ২১ নভেম্বর ২০২০, ৮:৫৩ পূর্বাহ্ণ
জাল স্ট্যাম্প, ডাকটিকিট,কোর্ট ফি তৈরির কারখানায় অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
জাল স্ট্যাম্প, ডাকটিকিট,কোর্ট ফি তৈরির কারখানায় অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
ছবি:শুভ্র কান্তি দাশ

ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা রমনা বিভাগ জাল স্ট্যাম্প, ডাকটিকিট, কোর্ট ফি তৈরির কারখানায় অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন মো. আশরাফুজ্জামান ওরফে আকাশ (৪৫), মো. মোরসালিন সরদার সোহেল (৩০), মো. রনি শেখ (২৫) ও মো. আবদুল আজিজ (২৩)। ১৯ নভেম্বর পল্টন ও আশুলিয়া থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা বিভাগের রমনা জোনাল টিম।

এ সময় জাল স্ট্যাম্প তৈরির কাজে ব্যবহৃত একটি কম্পিউটার, একটি প্রিন্টার, দুটি বড় ইলেকট্রিক সেলাই মেশিন ও একটি লোহার সেলাই মেশিন উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়া ১৮ কোটি টাকা মূল্যের জাল স্ট্যাম্প, ডাকটিকিট ও কোর্ট ফি জব্দ করা হয়।

আজ শনিবার বেলা ১১টায় ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিবি) এ কে এম হাফিজ আক্তার।

ডিবির এই অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার বলেন, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন ধরে জাল স্ট্যাম্প তৈরি করে ঢাকা শহরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করতেন। মনির মোল্লা, সাকিবসহ অজ্ঞাতনামা কয়েকজনের সহায়তা নিয়ে তাঁরা এ কাজ করে আসছেন। ওই দুজন পলাতক।

জাল স্ট্যাম্প, ডাকটিকিট,কোর্ট ফি তৈরির কারখানায় অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
জাল স্ট্যাম্প, ডাকটিকিট,কোর্ট ফি তৈরির কারখানায় অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
ছবি: শুভ্র কান্তি দাশ

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, প্রতি পাতা জাল স্ট্যাম্প তৈরিতে ১৫ থেকে ১৬ টাকা খরচ হয় এবং ২৫ থেকে ৩০ টাকায় তাঁরা ঢাকা শহরসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় এগুলো দিয়ে থাকেন। বৈধ স্ট্যাম্পের ভেতরে ঢুকিয়ে এই জাল স্ট্যাম্পগুলো বিক্রি হতো। হাফিজ আক্তার বলেন, জাল স্ট্যাম্পগুলো উদ্ধার না হলে সারা দেশে ছড়িয়ে পড়তে পারত।

এ বিষয়ে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পল্টন মডেল থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে নিয়মিত মামলা রুজু হয়েছে।