প্রযুক্তি

উদ্বোধন হলো আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর ‘ইনোভেশন সেন্টার’

প্রকাশ: ১৬ অক্টোবর ২০২০, ১০:২৮ পূর্বাহ্ণ
ইনোভেশন সেন্টারের উদ্বোধন
ইনোভেশন সেন্টারের উদ্বোধন

তথ্যপ্রযুক্তি খাতে দক্ষ জনবল তৈরিতে যাত্রা শুরু করল ‘ইনোভেশন সেন্টার’। ক্লাউড, এআই, ব্লকচেইনসহ নতুন নতুন প্রযুক্তি শিখতে এ উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তথ্যপ্রযুক্তি খাতের সংগঠন সিটিও ফোরামের উদ্যোগে ও আমাজনের সহযোগিতায় এ ইনোভেশন সেন্টার তৈরি হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ এ সেন্টারের উদ্বোধন করেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘দেশীয় উদ্ভাবন আমাদের অর্থনীতি ও কর্মসংস্থান পূরণের সহায়তা করছে। তাই উন্নত অর্থনীতির দেশ গড়তে হলে উদ্ভাবনকে গুরুত্ব দিতে হবে। ভবিষ্যৎ উদ্ভাবনী প্রজন্ম গড়ে তুলতে ইনোভেশন সেন্টার খুবই প্রয়োজন। এ ধরনের উদ্যোগ তরুণদের দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে তৈরি করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’

প্রতিমন্ত্রী সিটিও ফোরামকে ইনোভেশন সেন্টার গড়ে তুলতে হাইটেক পার্কে জায়গা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলার আধুনিক রূপ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জ্ঞানভিত্তিক প্রযুক্তিনির্ভর ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার জন্য সিটিও ফোরামের সদস্যসহ সবার প্রতি আহ্বান জানান।

সিটিও ফোরামের সভাপতি তপন কান্তি সরকার বিজয় দিবসের সুবর্ণজয়ন্তীতে ইনোভেশন সেন্টার থেকে প্রাপ্ত আইডিয়া থেকে হ্যাকাথন আয়োজনের পরিকল্পনার কথা জানান। তিনি বলেন, ইনোভেশন সেন্টার থেকে সমস্যার বাস্তবিক সমাধানে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে প্রোটোটাইপ তৈরি করা হবে। পরবর্তী সময়ে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো এসব সমাধান ব্যবহারের মাধ্যমে উপকার পাবে।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের অতিরিক্ত সচিব এবং সিটিও ফোরামের সহসভাপতি বিকর্ণ কুমার ঘোষের সঞ্চালনায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অডিও ভিজ্যুয়াল উপস্থাপনার মাধ্যমে ইনোভেশন সেন্টারের কার্যক্রম তুলে ধরেন সিটিও ফোরামে যুগ্ম সচিব এবং ইউসিবিএল ব্যাংকের ডিএমডি আবদুল্লাহ আল মামুন।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের জ্যেষ্ঠ সচিব এন এম জিয়াউল আলম, ইনোভেশন সেন্টারের টেকনিক্যাল লিড ও বাংলালিংকের প্রযুক্তি পরিচালক সোহাইল রেজা, পূবালী ব্যাংকের প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা মোহাম্মাদ আলী এবং আমাজন ওয়েব সার্ভিসের এশিয়া প্যাসেফিক সলিউশন আর্কিটেক্ট ডিপার্টমেন্টের প্রধান মাহাদি উজ জামান। ইনোভেশন সেন্টারের প্রশিক্ষণ কর্মসূচির সঙ্গে যুক্ত প্রশিক্ষণার্থী ছাড়াও সিটিও ফোরাম বাংলাদেশ কার্যনির্বাহী সদস্য ও ফেলো সদস্যরাও অনুষ্ঠানে সংযুক্ত ছিলেন।