প্রযুক্তি

এক ল্যাপটপের সাত ডিসপ্লে

প্রকাশ: ৯ েব্রুয়ারি ২০২১, ১২:৪৫ পূর্বাহ্ণ
পরীক্ষামূলক ল্যাপটপটির মূল ডিসপ্লের সঙ্গে জুড়ে দেওয়া হয়েছে আরও ছয়টি
পরীক্ষামূলক ল্যাপটপটির মূল ডিসপ্লের সঙ্গে জুড়ে দেওয়া হয়েছে আরও ছয়টি
এক্সপ্যানস্কেপ

ল্যাপটপে সচরাচর একটি ডিসপ্লে দেখেই আমরা অভ্যস্ত। অধুনা দুই বা তিন ডিসপ্লের ল্যাপটপ বাজারে ছাড়ছে কিছু কিছু প্রতিষ্ঠান। তা-ও সীমিত। তবে এক্সপ্যানস্কেপ নামের একটি প্রতিষ্ঠান ল্যাপটপের মূল ডিসপ্লের সঙ্গে জুড়ে দিয়েছে আরও ছয়টি। হারাধনের সাতটি ডিসপ্লে নিয়ে সে ল্যাপটপ দেখতে হয়েছে বেঢপ আকৃতির। ছবিতে অবশ্য প্রোটোটাইপ দেখা যাচ্ছে, এখনো সেটি পরীক্ষামূলক পর্যায়েই আছে। আপাতত নাম দেওয়া হয়েছে ‘অরোরা ৭’।

ল্যাপটপ কম্পিউটারটি দেখতে খানিকটা জানালার মতো। যেন পাল্লাগুলো মেলে ধরা হয়েছে। ল্যাপটপের ডিসপ্লে আর কি–বোর্ডের অংশ যুক্ত করতে সাধারণত কবজা বা হিঞ্জ ব্যবহার করা হয়। এক ডিসপ্লের ল্যাপটপের হিঞ্জ ভেঙে যাওয়ার খবর পাওয়া যায় অহরহ। জানি না, সাত ডিসপ্লে সামলাতে কেমন হিঞ্জ ব্যবহার করা হবে।

অরোরা ৭-এর মূল ডিসপ্লে ১৭ দশমিক ৩ ইঞ্চির, ফোরকে রেজল্যুশনের। একই মাপের আরও তিনটি ডিসপ্লে যুক্ত আছে এর সঙ্গে। আর বাঁ ও ডান পাশের দুটি ডিসপ্লের ওপর একটি করে আরও দুটি ৭ ইঞ্চি টাচস্ক্রিন ডিসপ্লে আছে। ল্যাপটপের কি–বোর্ডের সামনের দিকে হাত রাখার জায়গার পাশে আরেকটি ৭ ইঞ্চি টাচস্ক্রিন ডিসপ্লে যুক্ত করা হয়েছে।

ল্যাপটপের প্রোটোটাইপ সংস্করণটির ওজন প্রায় ১১ দশমিক ৮ কেজি, ৪ দশমিক ৩ ইঞ্চি পুরু।

এত এত ফোরকে রেজল্যুশনের ডিসপ্লে পরিচালনার জন্য রাখা হয়েছে মধ্যম সারির গ্রাফিকস কার্ড এনভিডিয়া জিটিএক্স ১০৬০। প্রসেসর হিসেবে আছে ইনটেল কোর আই৯-৯৯০০কে, আর আছে ৬৪ গিগাবাইট র‍্যাম। ভবিষ্যতে গ্রাফিকস কার্ড হিসেবে এনভিডিয়া আরটিএক্স ২০৭০ ব্যবহার করতে চায় এক্সপ্যানস্কেপ।

বর্তমানে ল্যাপটপটির ওজন প্রায় ১১ দশমিক ৮ কেজি
বর্তমানে ল্যাপটপটির ওজন প্রায় ১১ দশমিক ৮ কেজি
এক্সপ্যানস্কেপ

ল্যাপটপটির কাজ মূলত মোবাইল সিকিউরিটি অপারেশনস স্টেশন হিসেবে। তবে গেমিংয়েও ব্যবহার করা যেতে পারে। বর্তমান অবস্থায় ব্যাটারিতে বড়জোর এক ঘণ্টা চলে এটি। বেশিক্ষণ চলার কথাও না। তবু ভবিষ্যৎ সংস্করণে বেশি ব্যাকআপের ব্যাটারি ব্যবহার করবে বলে জানিয়েছে এক্সপ্যানস্কেপ।

অরোরা ৭-এর আকার মোটেই ছোটখাটো নয়। দামও ছোট কিংবা খাটো হওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ। বাজারে কবে নাগাদ আসবে, তা-ও বলা মুশকিল। তবে এক্সপ্যানস্কেপ বলেছে, ভবিষ্যৎ পরীক্ষামূলক সংস্করণগুলোর একটিও কেনা যাবে। সে ক্ষেত্রে দাম কত হবে, তা জানার সুযোগ রাখা হয়নি। কারণ, দাম না প্রকাশ করার শর্তেই প্রোটোটাইপ বিক্রি করতে রাজি হবে এক্সপ্যানস্কেপ।