দূর পরবাস

ধর্ষণ-নিপীড়নের বিচার দাবিতে ইতালিতে প্রতিবাদ সভা

প্রকাশ: ১৫ অক্টোবর ২০২০, ১১:৫৯ পূর্বাহ্ণ
 নারী নির্যাতনসহ দেশে সংঘটিত ধর্ষণ-নিপীড়নের বিচারের দাবিতে ইতালিতে মানববন্ধন, অবস্থান কর্মসূচি ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে
নারী নির্যাতনসহ দেশে সংঘটিত ধর্ষণ-নিপীড়নের বিচারের দাবিতে ইতালিতে মানববন্ধন, অবস্থান কর্মসূচি ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে
ছবি: সংগৃহীত

নারী নির্যাতনসহ দেশে সংঘটিত ধর্ষণ-নিপীড়নের বিচারের দাবিতে ‘ফাঁসি ফাঁসি ফাঁসি চাই ধর্ষকের ফাসি চাই’, ‘তোমার বোন, তোমার মা আজ সম্ভ্রমহারা ধর্ষক তোমরা কারা’—স্লোগান সামনে রেখে ইতালিতে মানববন্ধন, অবস্থান কর্মসূচি ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ইতালি মহিলা সমাজকল্যাণ সমিতির আয়োজনে রোমে গত রোববার স্থানীয় সময় বিকেল ৫টায় শুরু হয় মানববন্ধন কর্মসূচি। কর্মসূচি থেকে জানানো হয়, দেশের সব ধর্ষণের বিচার দ্রুত করতে হবে। বিচারহীনতার কারণে ধর্ষণের ঘটনা বেড়েই চলেছে। সব ধর্ষণকে দ্রুত বিচারের আওতায় আনতে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। এ সময় বিভিন্ন ধর্ষণবিরোধী স্লোগান দেন মানববন্ধনে অংশ নেওয়া নারী নেতারা।

অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে মহিলা সমাজকল্যাণ সমিতি, ইতালির সভাপতি লায়লা শাহর সভাপতিত্বে ও সহসাংগঠনিক সম্পাদক মেহেনাস তাব্বাসুম শেলির পরিচালনায় ধর্ষণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

 নারী নির্যাতনসহ দেশে সংঘটিত ধর্ষণ-নিপীড়নের বিচারের দাবিতে মানববন্ধন, অবস্থান কর্মসূচি ও প্রতিবাদ সভা করে ইতালি মহিলা সমাজকল্যাণ সমিতি
নারী নির্যাতনসহ দেশে সংঘটিত ধর্ষণ-নিপীড়নের বিচারের দাবিতে মানববন্ধন, অবস্থান কর্মসূচি ও প্রতিবাদ সভা করে ইতালি মহিলা সমাজকল্যাণ সমিতি
ছবি: সংগৃহীত

এতে ধর্ষকদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়ে বক্তব্য দেন মহিলা সমাজকল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক সৈয়দা শামীমা জামান, বাংলা প্রেসক্লাব ইতালি সাধারণ সম্পাদক ৭১ টেলিভিশনের লন্ডন প্রতিনিধি লাবণ্য চৌধুরী, মহিলা সমাজকল্যাণ সমিতি ইতালি সিনিয়র সহসভাপতি নার্গিস হাওলাদার, সহসভাপতি আঁখি সীমা কাওছার, নীলুফার বানু, লাভলী বেগম, অতসী সাহা, সহসাধারণ সম্পাদক নাসরিন চৌধুরী, সালমা রহমান, সহসাংগঠনিক সম্পাদক মিলি বিশ্বাস, কোষাধ্যক্ষ নার্গিস আক্তার, মহিলা সম্পাদিকা ইফরোজা খানম ইফা, প্রচার সম্পাদক ফাহিমা রিয়াজ, সহপ্রচার সম্পাদক সালমা পারভীন মনি।

প্রতিবাদ সভায় লায়লা শাহ বলেন, বর্তমান সময়ে ধর্ষণ বেড়ে যাওয়ায় নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছে গোটা নারী সমাজ। শুধু ধর্ষকের বিচার নয়, নারীদের নিরাপত্তা এখন সবচেয়ে বড় দাবিদাওয়া। তাই দেশে ধর্ষণ ও নারী নির্যাতন বন্ধ করা হোক, না হলে আগামীতে মহিলা সমাজকল্যাণ সমিতি থেকে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।