glimpse

চীবর উৎসবে প্রদীপ প্রজ্বালন  

প্রকাশ: ২১ নভেম্বর ২০২০, ৪:৩৮ পূর্বাহ্ণ

২৪ ঘণ্টার মধ্যে তুলা থেকে সুতা বের করে তাতে রং করা, চীবর (ভিক্ষুদের পরনের কাপড়) বুনন ও সেলাই করে ভিক্ষু সংঘকে দেওয়াই কঠিন চীবরদান। বৌদ্ধধর্মাবলম্বীরা বিশ্বাস করেন, এটি দানশ্রেষ্ঠ।

কঠিন চীবরদান অনুষ্ঠান বছরে একবার হয়। জুম থেকে তুলা সংগ্রহের পর ছরকার মাধ্যমে তুলা থেকে সুতা তৈরি করতে হয়। সুতা তৈরি শেষে রং দেওয়ার পর তা শুকানো হয়। এরপর তাঁতে কাপড় তৈরির সবশেষ সেলাইয়ের মাধ্যমে চীবর তৈরি করা হয়। কঠিন চীবর উৎসব উপলক্ষে সন্ধ্যায় হাজারো প্রদীপ প্রজ্বালন করে প্রার্থনা করেন ভক্তরা। গতকাল শুক্রবার ২০ নভেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় খাগড়াছড়ি সদরের রাজবাড়ি এলাকার ক্যকপ্রু বৌদ্ধবিহার এলাকা থেকে চীবরদান অনুষ্ঠানের ছবিগুলো তোলা।

সন্ধ্যায় হাজারো প্রদীপ প্রজ্বালন আর প্রার্থনা চলছে কঠিন চীবর উৎসব উপলক্ষে।
সন্ধ্যায় হাজারো প্রদীপ প্রজ্বালন আর প্রার্থনা চলছে কঠিন চীবর উৎসব উপলক্ষে।
হাজারো প্রদীপ প্রজ্বালনের পরই করা হয় প্রার্থনা।
হাজারো প্রদীপ প্রজ্বালনের পরই করা হয় প্রার্থনা।
ঐতিহ্যবাহী চরকায় সুতা কাটার মধ্য দিয়ে শুরু হয় কঠিন চীবরদান। সুতা কাটা, রংকরণ, নলিতে সুতা ভরা, কোমর তাঁতে চীবর বুনন ও সেলাই করার কাজে শতাধিক নারী অংশগ্রহণ করেন। এরপরই বুনন করা চীবর ভিক্ষু সংঘকে দান ও উৎসর্গ করা হয়।
ঐতিহ্যবাহী চরকায় সুতা কাটার মধ্য দিয়ে শুরু হয় কঠিন চীবরদান। সুতা কাটা, রংকরণ, নলিতে সুতা ভরা, কোমর তাঁতে চীবর বুনন ও সেলাই করার কাজে শতাধিক নারী অংশগ্রহণ করেন। এরপরই বুনন করা চীবর ভিক্ষু সংঘকে দান ও উৎসর্গ করা হয়।
কঠিন চীবর উৎসব উপলক্ষে সন্ধ্যায় হাজারো প্রদীপ প্রজ্বালন করে প্রার্থনা করেন ভক্তরা।
কঠিন চীবর উৎসব উপলক্ষে সন্ধ্যায় হাজারো প্রদীপ প্রজ্বালন করে প্রার্থনা করেন ভক্তরা।
কঠিন চীবরদান উৎসবে শান্তি ও মঙ্গল কামনা করা হয়।
কঠিন চীবরদান উৎসবে শান্তি ও মঙ্গল কামনা করা হয়।
২৪ ঘণ্টার মধ্যে তৈরি চীবর (বৌদ্ধ সাধকদের পরার কাপড়) নারী-পুরুষের সাধুবাদ ধ্বনির মধ্য দিয়ে বৌদ্ধ ভিক্ষুদের দান করা হয়।
২৪ ঘণ্টার মধ্যে তৈরি চীবর (বৌদ্ধ সাধকদের পরার কাপড়) নারী-পুরুষের সাধুবাদ ধ্বনির মধ্য দিয়ে বৌদ্ধ ভিক্ষুদের দান করা হয়।