ইসলাম

আশুরায় খোলা জায়গায় তাজিয়া মিছিল করা যাবে না

প্রকাশ: ২৩ অগাস্ট ২০২০, ১১:৩৪ পূর্বাহ্ণ
তাজিয়া মিছিল
তাজিয়া মিছিল
ফাইল ছবি

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ও বিস্তার রুখতে পবিত্র আশুরায় খোলা জায়গায় তাজিয়া মিছিল ও সমাবেশ করা যাবে না। আজ রোববার ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) বিভিন্ন বিভাগে কর্মরত ব্যক্তি ও শিয়া সম্প্রদায়ের নেতাদের নির্দেশ দিয়েছেন কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম।

৩০ আগস্ট পবিত্র আশুরা উদযাপিত হতে যাচ্ছে।

আজ ডিএমপি সদর দপ্তরে আশুরা উদযাপন উপলক্ষে ঢাকা মহানগর এলাকার নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনাসংক্রান্ত সমন্বয় সভায় এ কথা বলেন তিনি। সভায় ঢাকা মহানগর পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ গোয়েন্দা সংস্থা, ফায়ার সার্ভিস, র‌্যাব, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রতিনিধি এবং লালবাগ, মিরপুর ও তেজগাঁও বিভাগের শিয়া সম্প্রদায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠান আয়োজকদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে আশুরা পালনের অনুরোধ করেন ডিএমপি কমিশনার। ডিএমপি কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম ইমামবাড়াগুলোতে সবাইকে একসঙ্গে না ঢুকিয়ে খণ্ড খণ্ড দলে বিভক্ত করে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য অবস্থানের ব্যবস্থা করা ও সবাই যেন মাস্ক পরেন, তা নিশ্চিত করতেও পরামর্শ দেন তিনি।
ডিএমপি কমিশনার শিয়া সম্প্রদায়ের নেতাদের যেকোনো প্রয়োজনে পুলিশ পাশে আছে বলে আশ্বস্ত করেছেন।

আশুরা উপলক্ষে পোশাকে ও সাদাপোশাকে পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তা ছাড়া অনুষ্ঠানস্থলে ডগ স্কোয়াড ও বোমা নিষ্ক্রিয়করণ দল থাকবে বলে জানা হয়েছে। ইমামবাড়া ও এর আশপাশ সিসি ক্যামেরায় পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থা থাকছে। অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীদের মেটাল ডিটেক্টরে তল্লাশির আর্চওয়ের মধ্য দিয়ে ইমামবাড়ায় প্রবেশ করত দেওয়া হবে বলেও জানানো হয়েছে।

ইমামবাড়াকেন্দ্রিক আয়োজক কমিটিকে পরিচয়পত্রসহ পর্যাপ্ত স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ দিতে বলা হয়েছে। ইমামবাড়ার ঢোকা ও বেরোনোর পথ আলাদা করা, ঢোকার মুখে প্রয়োজনীয় বেসিন, পানির ট্যাংক, সাবান এবং আলাদাভাবে হ্যান্ড স্যানিটাইজার রাখা ও জীবাণুনাশক চেম্বার স্থাপনের ব্যবস্থা করতে বলেছে পুলিশ। তা ছাড়া তাপমাত্রা মাপার যন্ত্রসহ স্বেচ্ছাসেবক রাখতে ও কমপক্ষে তিন ফুট দূরত্বে অবস্থান কঠোরভাবে নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।

করোনার উপসর্গ, যেমন জ্বর, সর্দি-কাশি, শরীরব্যথা ইত্যাদি নিয়ে কোনো ব্যক্তিকে ইমামবাড়ায় প্রবেশ করতে দিতে নিষেধ করা হয়েছে। করোনাকালীন সময়ে বিশেষ পরিস্থিতিতে শিশু ও ষাটোর্ধ্ব এবং অসুস্থ ব্যক্তিদের ইমামবাড়ায় প্রবেশে নিরুৎসাহিত করারও পরামর্শ দিয়েছে পুলিশ।